ঢাকা , সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নওগাঁয় দেখা নেই সূর্যের, বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা অবশেষে পুলিশ দখলমুক্ত করলো নওগাঁর জনগুরুত্বপূর্ণ জেলখানা সড়ক নওগাঁয় রাকাবের বিশেষ ঋণ আদায় ক্যাম্পে ১৯ কোটি টাকা আদায় মান্দায় স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ আটক ৩ নওগাঁয় এনসিপি নেত্রী জান্নাতারা রুমীর দাফন সম্পূর্ণ। কবিতা: রাত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অনার্স–মাস্টার্স পর্যায়ের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির দাবিতে মানববন্ধন নওগাঁর মান্দায় এক রাতে তিন দোকানে চুরি, নগদ চার লাখ টাকা খোয়া বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় নওগাঁয় মহান বিজয় দিবস উদযাপন ফেসবুক কনটেন্টে বদলে যাওয়া সংসার ও জীবনের গল্প
নোটিশ :
আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম। দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ 01714455681

হিয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখি

আমি সাজলে যখন তুমি বল,

আচ্ছা তোমার চাঁদ জোছনা বদনে আটা ময়দা মাখার কি দরকার ?
শিমুল রাঙা ঠোঁটে রঙ মাখোঁ কেন ?
ওসব ছাইপাঁশ মেখে তুলতুলে গাল দুটোটতে স্পট ফেলার ধান্দায় আছ নাকি ?
আমি তখন বলি বুঝতে পেরেছি!
টাকা দিতে হবে বলে এতো প্রশংসা করছো তাই তো?
তখন তুমি চোখে চোখ রেখে বলতে
আমার দিকে তাকাও দেখি এমন সুন্দরী বউ বুঝি কারো আছে ?
যে ওরা আটা ময়দা মাখবে না ।
তুমি হলে অপ্সরা তুমি মায়বি তোমার চোখে পদ্মা মেঘনা যমুনা,
তোমার বদনখানি পূর্ণিমার জোছনা
ঠোঁট দু’খানা রংধনুর আবির রাঙা
হরিণের মতো চোখে যখন তাকাও তখন মনে হয়
তুমি জীবনানন্দের বনলতা সেন।
আমি শুধু ভাবি কোন পূর্ণ্যের গুণে তোমায় আমি পেলাম ।
নিজেকে বড্ড ভাগ্যবান বলে মনে হয় ।
ওপর ওয়ালার কাছে হাজারো কৃতজ্ঞতা জানাই তোমাকে আমার জন্য এতো সুন্দর করে গড়েছেন।
তোমাকে গড়ার সময় বিধাতার মনে অনেক প্রেমছিলো।
খুব ভালো মূহুর্তে তোমায় সৃষ্টি করেছেন!
তাই তুমি এতো মায়াবী!
তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে হাজার বছর কাটিয়ে দিতে পারি।
তোমার ঠোঁটের আলতো হাসি আমার জীবনের সমস্ত দুঃখ কষ্ট মূহুর্তেই তাড়িয়ে দেয় ।
তোমার ভালোবাসা আমাকে হাজার বছর বেঁচে থাকার আগ্রহ জাগায় ।
তুমি একদম কারো সামনে যাবে না!
বুঝতে পেরেছেন মহারাণী !
আমি চাইনা তোমার দিকে তাকিয়ে কেউ বলুক বিউটিফুল ।
আমি মানুষের মুখের অভয় বন্ধ করতে পারবোনা কিন্তু তোমাকে তো আটকাতে পারবো ।
তখন আমি অবাক হয়ে ভাবি মানুষ মানুষকে এতো ভালোবাসতে পারে !
আমার মুখের অভয় হারিয়ে তোমাকে জড়িয়ে ধরি ।
আর তুমি তোমার ঠোঁটের আলতো স্পর্শের আমার স্বপ্ন গুলো হাজার গুণ বাড়িয়ে দাও।
সত্যি তোমায় পেয়েও আমি ধন্য।
আচ্ছা তুমি আমাকে এতো ভালোবাস কেন ?
তুমি তো আমাকে তারচেয়ে বেশি ভালোবাস —
কি করে বুঝলে ?
আমি সেই দিন বুঝতে পেরেছি যেদিন প্রথম তোমার থেকে দূরে গিয়ে একটি দিন ও রাত কাটিয়েছি —
সেই দিন ও রাতে ৩৮ বার ফোন করে আমার খবর নিয়ে ছিলে —
আমি বসের সামনে যখন তোমার ফোন রিসিভ করি তখন তোমার কথাবার্তা শুনে স্যার বলেছিলেন — আমি নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ও সুখী মানুষ।
যে নাকি একটা নারীর প্রকৃত ভালোবাসা পেয়েছে তার মতো সুখী পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।
আপনি সত্যিকারে মুক্তার মালা গলায় পড়েছেন?
কখনো কোনো অবস্থাতেই এই মালা খুলবেন না ।
আসল মুক্ত কেউ পায় না।
আর যে পেয়ে হারায় তার মতো হতভাগ্য পৃথিবীতে কেউ নেই ।
এখন নিজেকে নিজে ঠিক করুন সুভাগ্যবান হবেন নাকি হতভাগ্য নিয়ে জীবন যাপন করবেন ।
সেই দিন থেকে তোমায় ভালোবাসি আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখি ।
কেউ যেন দেখতে না পায় ।
বুঝতে পেরেছেন মেডাম ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁয় দেখা নেই সূর্যের, বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা

হিয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখি

আপডেট সময় ০৬:৪২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

আমি সাজলে যখন তুমি বল,

আচ্ছা তোমার চাঁদ জোছনা বদনে আটা ময়দা মাখার কি দরকার ?
শিমুল রাঙা ঠোঁটে রঙ মাখোঁ কেন ?
ওসব ছাইপাঁশ মেখে তুলতুলে গাল দুটোটতে স্পট ফেলার ধান্দায় আছ নাকি ?
আমি তখন বলি বুঝতে পেরেছি!
টাকা দিতে হবে বলে এতো প্রশংসা করছো তাই তো?
তখন তুমি চোখে চোখ রেখে বলতে
আমার দিকে তাকাও দেখি এমন সুন্দরী বউ বুঝি কারো আছে ?
যে ওরা আটা ময়দা মাখবে না ।
তুমি হলে অপ্সরা তুমি মায়বি তোমার চোখে পদ্মা মেঘনা যমুনা,
তোমার বদনখানি পূর্ণিমার জোছনা
ঠোঁট দু’খানা রংধনুর আবির রাঙা
হরিণের মতো চোখে যখন তাকাও তখন মনে হয়
তুমি জীবনানন্দের বনলতা সেন।
আমি শুধু ভাবি কোন পূর্ণ্যের গুণে তোমায় আমি পেলাম ।
নিজেকে বড্ড ভাগ্যবান বলে মনে হয় ।
ওপর ওয়ালার কাছে হাজারো কৃতজ্ঞতা জানাই তোমাকে আমার জন্য এতো সুন্দর করে গড়েছেন।
তোমাকে গড়ার সময় বিধাতার মনে অনেক প্রেমছিলো।
খুব ভালো মূহুর্তে তোমায় সৃষ্টি করেছেন!
তাই তুমি এতো মায়াবী!
তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে হাজার বছর কাটিয়ে দিতে পারি।
তোমার ঠোঁটের আলতো হাসি আমার জীবনের সমস্ত দুঃখ কষ্ট মূহুর্তেই তাড়িয়ে দেয় ।
তোমার ভালোবাসা আমাকে হাজার বছর বেঁচে থাকার আগ্রহ জাগায় ।
তুমি একদম কারো সামনে যাবে না!
বুঝতে পেরেছেন মহারাণী !
আমি চাইনা তোমার দিকে তাকিয়ে কেউ বলুক বিউটিফুল ।
আমি মানুষের মুখের অভয় বন্ধ করতে পারবোনা কিন্তু তোমাকে তো আটকাতে পারবো ।
তখন আমি অবাক হয়ে ভাবি মানুষ মানুষকে এতো ভালোবাসতে পারে !
আমার মুখের অভয় হারিয়ে তোমাকে জড়িয়ে ধরি ।
আর তুমি তোমার ঠোঁটের আলতো স্পর্শের আমার স্বপ্ন গুলো হাজার গুণ বাড়িয়ে দাও।
সত্যি তোমায় পেয়েও আমি ধন্য।
আচ্ছা তুমি আমাকে এতো ভালোবাস কেন ?
তুমি তো আমাকে তারচেয়ে বেশি ভালোবাস —
কি করে বুঝলে ?
আমি সেই দিন বুঝতে পেরেছি যেদিন প্রথম তোমার থেকে দূরে গিয়ে একটি দিন ও রাত কাটিয়েছি —
সেই দিন ও রাতে ৩৮ বার ফোন করে আমার খবর নিয়ে ছিলে —
আমি বসের সামনে যখন তোমার ফোন রিসিভ করি তখন তোমার কথাবার্তা শুনে স্যার বলেছিলেন — আমি নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ও সুখী মানুষ।
যে নাকি একটা নারীর প্রকৃত ভালোবাসা পেয়েছে তার মতো সুখী পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।
আপনি সত্যিকারে মুক্তার মালা গলায় পড়েছেন?
কখনো কোনো অবস্থাতেই এই মালা খুলবেন না ।
আসল মুক্ত কেউ পায় না।
আর যে পেয়ে হারায় তার মতো হতভাগ্য পৃথিবীতে কেউ নেই ।
এখন নিজেকে নিজে ঠিক করুন সুভাগ্যবান হবেন নাকি হতভাগ্য নিয়ে জীবন যাপন করবেন ।
সেই দিন থেকে তোমায় ভালোবাসি আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে রাখি ।
কেউ যেন দেখতে না পায় ।
বুঝতে পেরেছেন মেডাম ।